সকালে শৌচালয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটান? মলের সঙ্গে রক্ত দেখলে হালকা ভাবে নেবেন না। কোষ্ঠকাঠিন্য বা অর্শ ভেবে অনেকেই এড়িয়ে যান, কিন্তু এগুলিই হতে পারে কোলন ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ। বৃহদান্ত্রের কোষগুলির বৃদ্ধি অস্বাভাবিক হারে হলে এই অসুখ বাসা বাঁধে শরীরে। অন্ত্রে দীর্ঘস্থায়ী কোনও মাংসল অংশের বৃদ্ধি এই রোগের অন্যতম লক্ষণ। অনিয়ন্ত্রিত মদ্যপান, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর খাবার ইত্যাদি কারণে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সাধারণত, পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের মধ্যে কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকলেও ইদানীং এই প্রবণতা বদলাচ্ছে, কমবয়সিরাও এই অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন। রোজের কিছু অভ্যাসে বদল এনে এই রোগের ঝুঁকি খানিকটা কমানো যেতে পারে, এমনটাই মত এমস এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষিত গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট সৌরভ শেঠীর। কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে কী কী করবেন, রইল হদিস।
১. কফিতে চুমুক
এক কাপ কফি শুধু ঘুমই তাড়ায় না, শরীরকে ভিতর থেকে সুরক্ষাও দেয়। কফিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা কোষের ক্ষতি রোধ করে। সৌরভ বলেন, “কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত কফি খেলে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। তবে খালি পেটে না খেয়ে প্রাতরাশের পর থেকে বিকেলের মধ্যে কফি খেতে হবে।”
২. ক্যালশিয়ামে ভরসা রাখুন
অন্ত্রের ক্ষতিকর উপাদানগুলিকে বেঁধে ফেলে কোলনের প্রাচীরকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে ক্যালশিয়াম। তাই রোজ খেতে হবে দই, ইয়োগার্ট, দুধ বা ক্যালশিয়াম-ফর্টিফায়েড খাবার।
৩. প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া বন্ধ করুন
বেকন, সসেজ, ফ্রোজেন মাংস রোজ খেলে বাড়তে পারে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) প্রসেসড মিটকে গ্রুপ ওয়ান কার্সিনোজেন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাই শুধু কোলন ক্যানসার নয়, যে কোনও ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে হলে ডায়েট থেকে সবার আগে এই সব খাবার বাদ দিতে হবে।
৪. ফাইবারকে বন্ধু বানিয়ে নিন
হজমশক্তি ভাল রাখতে, পেট পরিষ্কার রাখতে আর রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে ফাইবারের জুড়ি নেই। চিকিৎসক বলেন, “বেশি ফাইবার খেলে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। তাই ডাল, রাজমা, ছোলা, দানাশস্য, ফল, সব্জি, বাদাম ও বীজ রোজের খাবারে বেশি করে রাখতে হবে।’’
৫. উপসর্গের অপেক্ষা করবেন না, স্ক্রিনিং করান
শুরুর দিকে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের কোনও স্পষ্ট উপসর্গ না-ও থাকতে পারে। তাই ৪৫ বছর বয়সের পর নিয়মিত স্ক্রিনিং জরুরি। পারিবারিক ইতিহাস বা অন্য ঝুঁকি থাকলে আরও আগে শুরু করতে হতে পারে। সময়মতো পরীক্ষা করানোই পারে বড় বিপদ এড়াতে।
১. কফিতে চুমুক
এক কাপ কফি শুধু ঘুমই তাড়ায় না, শরীরকে ভিতর থেকে সুরক্ষাও দেয়। কফিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা কোষের ক্ষতি রোধ করে। সৌরভ বলেন, “কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত কফি খেলে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। তবে খালি পেটে না খেয়ে প্রাতরাশের পর থেকে বিকেলের মধ্যে কফি খেতে হবে।”
২. ক্যালশিয়ামে ভরসা রাখুন
অন্ত্রের ক্ষতিকর উপাদানগুলিকে বেঁধে ফেলে কোলনের প্রাচীরকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে ক্যালশিয়াম। তাই রোজ খেতে হবে দই, ইয়োগার্ট, দুধ বা ক্যালশিয়াম-ফর্টিফায়েড খাবার।
৩. প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া বন্ধ করুন
বেকন, সসেজ, ফ্রোজেন মাংস রোজ খেলে বাড়তে পারে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) প্রসেসড মিটকে গ্রুপ ওয়ান কার্সিনোজেন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাই শুধু কোলন ক্যানসার নয়, যে কোনও ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে হলে ডায়েট থেকে সবার আগে এই সব খাবার বাদ দিতে হবে।
৪. ফাইবারকে বন্ধু বানিয়ে নিন
হজমশক্তি ভাল রাখতে, পেট পরিষ্কার রাখতে আর রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে ফাইবারের জুড়ি নেই। চিকিৎসক বলেন, “বেশি ফাইবার খেলে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। তাই ডাল, রাজমা, ছোলা, দানাশস্য, ফল, সব্জি, বাদাম ও বীজ রোজের খাবারে বেশি করে রাখতে হবে।’’
৫. উপসর্গের অপেক্ষা করবেন না, স্ক্রিনিং করান
শুরুর দিকে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের কোনও স্পষ্ট উপসর্গ না-ও থাকতে পারে। তাই ৪৫ বছর বয়সের পর নিয়মিত স্ক্রিনিং জরুরি। পারিবারিক ইতিহাস বা অন্য ঝুঁকি থাকলে আরও আগে শুরু করতে হতে পারে। সময়মতো পরীক্ষা করানোই পারে বড় বিপদ এড়াতে।
ফারহানা জেরিন